
রবিবার ● ৩০ মার্চ ২০২৫
প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » ফ্যাসিস্টের নির্যাতনে শহীদ পরিবারকে তারেক রহমানের ঈদ উপহার
ফ্যাসিস্টের নির্যাতনে শহীদ পরিবারকে তারেক রহমানের ঈদ উপহার
মো. ইউসুফ, রাঙ্গুনিয়া :: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা’র ১নং রাজানগর ও ১৩ নং ইসলামপুর ইউনিয়নের চার নির্যাতিত বিএনপি’র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার প্রদান।
শনিবার ২৯ মার্চ বিকালে উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের শহীদ জিল্লুর রহমান ভান্ডারী, হাফেজ মাহাবুবুল আলম, নুরুল ইসলাম রাশেদ ও রাজানগরের কামরুল ইসলাম মুছা সিকদারের পরিবারের মাঝে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ঈদ উপহার তুলে দেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইউছুপ চৌধুরী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।
ঈদ উপহার গ্রহণ করেন জিল্লুর রহমান ভান্ডারী’র ছেলে মিনহাজুর রহমান, তার ভাই হাজী মুহাম্মদ ইকবাল, যুবদল নেতা নিজাম উদ্দিন, জিয়া উদ্দিন বাবলু, শহীদ হাফেজ মাহাবুবুল আলম এর সহধর্মিণী মোরশেদা বেগম, শহীদ নুরুল ইসলাম রাশেদের পিতা আহমদ হোসেন, ছোটভাই মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম মুছা’র সহধর্মিণী পান্না আক্তার।
নির্যাতিত শহীদ পরিবার সূত্রে জানায়, উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র সদস্য ও রানীরহাট ডিগ্রি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক প্রচার সম্পাদক শহীদ জিল্লুর রহমান ভান্ডারী’কে গত ২১ জানুয়ারী ২০১৫ সালে রানীরহাট স্কুলে চিহ্নিত আওয়ামী সন্ত্রাসীরা প্রকাশে দিবালোকে গুলি করে হত্যা করেন।
শহীদ হাফেজ মাহাবুব আলম’কে গত ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসের ১৬ তারিখে প্রকাশ্যে দিবালোকে দোকান থেকে আ.লীগ সন্ত্রাসীরা অপহরণ রানীরহাট ঠান্ডাছড়িতে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেন। হাফেজ মাহাবুবুল ইসলামপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আব্দুল মান্নান রনি’র ছোটভাই।
শহীদ মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম রাশেদকে গত ২০১৬ সালের জুন মাসের ২৩ তারিখে পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। পরে জুলাই মাসের ৫ তারিখে অর্থের বিনিময়ে আওয়ালীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের কাছে তাকে হস্তান্তর করেন। রানীরহাট ঠান্ডাছড়িতে আ.লীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা গুলি করে হত্যা করেন।
কামরুল ইসলাম সিকদার মুছাকে গত ২০১৬ সালে চট্টগ্রাম থেকে অস্ত্র ধরে আওয়ালীগ সন্ত্রাসীরা অপহরণ করে নিয়ে যায়। এখনো পর্যন্ত তার কোন খোঁজ পায়নি পরিবার।